রুক্মিনীকে কী নামে ডাকেন দেব ? জানলে অবাক হবেন

কথায় বলে নামে কী আসে যায় ? কিন্তু কার্যক্ষেত্রে এটা প্রমাণিত সত্য, যে নামে সত্যিই আসে যায় ৷ তা না হলে কী বাচ্চার নাম দেওয়া নিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতেন বাবা-মায়েরা ? নাকি গুচ্ছ গুচ্ছ আদুরে নাম তৈরি করত লভ বার্ডসরা ?
ভালবাসার মানুষকে ডাকার নামের অভাব নেই ৷ মনের মতো করে নিজের ভালবাসাকে কত রকম নাম দিই আমরা ৷ সেই নাম যেমনই হোক না কেন, আদর করে ডাকা সব নামই সুন্দর ৷ তবে নাম দেওয়ায় বোধহয় সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন টলিউডের ড্যাশিং হিরো ৷ জানলে অবাক হবেন যে, বান্ধবী রুক্মনী মৈত্রকে এক আজব নামে ডাকেন দেব ৷ সেই হাঁড়ির খবর এবার জানা গেল সোশ্যাল মিডিয়ায় ৷
সদ্যই রক্মিনীর একটি মিষ্টি ভিডিও শেয়ার করেছেন দেব ৷ ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, টেবলে খেতে বসেছেন নায়িকা ৷ সামনে প্লেটে সাজানো হরেক রকম খাবার ৷ যদিও তার মধ্যে ফলের পরিমাণই বেশি ৷ খাবারে মন দিয়েছেন রুক্মিনী ৷ তাই দেখেই বান্ধবীকে ‘হ্যাংলা’ নামে ডেকেছেন দেব ৷
ভিডিওটি পোস্ট হতেই প্রায় ৬০ হাজার লাইকস আর ভিউ পেয়েছে সেটি ৷
যেভাবে বাংলাদেশে এলেন হাসান মাসুদ !
সময়টা তখন ১৯৮৪ সাল, আফ্রিকার ছোট্ট দেশ সেনেগালের ঘরে ঘরে যুদ্ধ চলছে। অভাব অনসন আর খাদ্য সংকটের ভারে চাপা পরে পিষ্ঠ সেখানকার জনগণ তখন একটু একটু করে ফুঁসলে উঠতে শুরু করেছে দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে। ঠিক এমন সময় মাঝারি লম্বা গড়ণের জাত আফ্রিকান এক তরুণ রাতের আঁধারে বর্ডার ক্রস করে বেরিয়ে যান সেনেগাল থেকে। যুদ্ধবিগ্রহ দেখতে দেখতে জীবনের প্রতি ঘৃণা এসে যাওয়া উদাস্তু এই তরুণ যাযাবর বেদুইনের মত হাঁটা শুরু করেন স্বর্গের খোঁজে। চলতে থাকে তার অভিযান। একসময় তিনি সেই স্বর্গের খোঁজ পেয়েও যান। সুন্দর একটি দেশ। এরশাদ তখন ক্ষমতায়। দেশটি বাংলাদেশ…
এতক্ষণ যার কথা বলছিলাম, লোকটি আর কেউ নয়, আমাদের হাসান মাসুদ। অভিনেতা হাসান মাসুদ। গানের পাখি হাসান মাসুদ। নাট্যবোদ্ধা হাসান মাসুদ। সাংবাদিক হাসান মাসুদ। আর্মি অফিসার হাসান মাসুদ। বহু মেধার অধিকারী এই মানুষটি মিডিয়া থেকে শুরু করে বাস্তবিক জীবনের প্রায় সব শাখায়ই পা রেখে পৌঁছেছেন উচ্চতার শিখরে ! সেই হাসান মাসুদকে নিয়েই আজকের বিশেষ এই প্রতিবেদন !
আমরা কথা বলেছিলাম হাসান মাসুদের সাথে। গানের পাখি হাসান মাসুদ এসেছিলেন সেনেগাল থেকে। এই ঘটনা তিনি স্বীকার করতে চান না কেনো, তা নিয়ে চলুন কিছু জেনে নেয়া যাক…

– কেমন আছেন হাসান ভাই
– জ্বি ভালো
– ভাবী কেমন আছে?
– জ্বি ভালো আছে
– আব্বা আম্মা?
– ভালো আছে সবাই
– আপনার তো বাচ্চাও আছে। বাচ্চা কেমন আছে?
– ভালো আছে
– ওহ
– প্রশ্ন করুন
– হাসান ভাই আপনি তো সেনেগাল থেকে আসছিলেন
– মিথ্যা কথা
– কিন্তু ভাই, আপনার চোখ তো মিথ্যা বলেনা
– আমি সেনেগাল থেকে আসবো কেনো? আমার জন্ম ততকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বরিশালে।
– কিন্তু দেখতে তো সেনেগালের নাগরিকের মত।
– দিস ইজ রেসিজম
– হাসান ভাই আপনি মুখে কি মাখেন? ক্রিম না ভ্যাসলিন?
– কোনোটাই মাখিনা
– আপনার বিয়ে কিভাবে হয়েছিলো? পাত্রী খুঁজে পেতে নিশ্চয়ই অনেক বেগ পেতে হয়েছে?
– আমার বিয়ে ছিলো প্রেমের বিয়ে।
– সেনেগালের মেয়ে বিয় করলেন না কেনো?
– আরে আজিব, আপনি সেনেগাল কোথায় পাইলেন। বারবার সেনেগাল সেনেগাল করতেছেন কেনো?
– কারণ আপনি সেনেগালের বাসিন্দা।
– অড, সো অড ইউ আর
কথোপকথনের এই পর্যায়ে হাসান মাসুদ রোজার দোহাই দেখিয়ে আলোচনাপর্ব ছেড়ে উঠে যান। এবং অন্য কোনো দিন ইফতারের পর দেখা করে ইন্টারভিউ দেয়ার কথা বলেন। যদিও হাসান মাসুদকে দেখে রোজাদার মনে হচ্ছিলো না। তাঁর দাঁতের ফাঁকে মাংস ও তরকারীর হলুদ রঙ লেগেছিলো। দেখে বোঝাই যাচ্ছিলো, তিনি রোজা রাখেননি। পর্দা লাগানো হোটেল থেকে সদ্য খেয়ে এসেছেন…
(এই লেখাটি সম্পূর্ণই কাল্পনিক। পাঠকের পাঠানো এই লেখাটি নিছক রসিকতা হিসেবে প্রকাশ করা হলো
প্রভার বাসা থেকে সবজি উদ্ধার
প্রভার বাসা থেকে সবজি উদ্ধার আবারো প্রভা ট্রাজেডি। ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত মডেল ও অভিনেত্রী প্রভার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে এবার উদ্ধার করা হলো এক ব্যাগ সবজি। এ নিয়ে অনেক জল্পনা কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, আমরা রেইড দিয়ে তার বাসা থেকে একব্যাগ সবজি পেয়েছি। সবজি থাকবে ফ্রিজে। সবজি তার রুমে কি করে? হয় সে এসবের চোরাচালান ব্যবসা করে, নাহয় সে এই সবজি দিয়ে নেশা করে। প্রত্যুত্তরে প্রভা জানান, আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হচ্ছে। আমার বিছানায় সবজি থাকুক আর ফুলদানি থাকুক। তাতে কার বাপের কি। নিজের টাকায় কিনছি। চুরি করে তো আনি নাই।
রোজা রাখেন না বাংলাদেশের যে সকল তারকারা !


পবিত্র রমজান মাস সংযম ও আনুগত্যের মাস। এ মাসে আমরা ধনী গরিব সেলিব্রেটি আমজনতা সহ প্রায় সব শ্রেণীর লোকেরাই রোজা রাখি। রোজা যে শুধু সাধারণ জনগণরাই রাখে, সেলিব্রেটিরা রাখেনা, তা নয়। সকল পর্যায়ের মিডিয়া ব্যক্তিত্বরাও রোজা রাখেন। তারা আমাদের থেকে ব্যতিক্রম কিছু নন। তবে এরমাঝেও এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা রোজা রাখেন না। আজকে তাদের নিয়েই আমাদের এই বিশেষ পোস্ট।
চলুন জেনে নেয়া যাক এমন কিছু তারকার কথা, যারা রোজা রাখেন না…
গায়কদের মধ্যে রোজা রাখেন না
- এন্ড্রু কিশোর
- কুমার বিশ্বজিৎ
- পার্থ বড়ুয়া
- শুভ্র দেব
টিভি তারকাদের মধ্যে রোজা রাখেন না
- অমল বোস
- অপু বিশ্বাস
- হিরো আলম (শারীরিক দুর্বলতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য)
- পীযুস বন্দোপাধ্যায়
- টনি ডায়েস
- প্রিয়া ডায়েস
- বিদ্যা সিনহা সাহা মিম
- অপর্না ঘোষ
- প্রবীর মিত্র
- শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নি
ক্রিকেটারদের মধ্যে রোজা রাখেন না
- লিটন দাস
- সৌম্য সরকার
- অলোক কাপালি
- তাপস বৈশ্য
- শুভাশীষ রয়
ভিন্ন ধর্মের অনুসারী এই তারকারা রোজা রাখেন না। তবে তারা নিজ নিজ ধর্ম বর্ণ অনুযায়ী তাদের নিজস্ব উৎসব পালন করে থাকেন। এছাড়া কমবেশ আর সব মুসলিম তারকারাই রোজার মাসে সংযমের নিয়ম কানুন পালন করে থাকেন।
ট্রেনে হস্তমৈথুন করায় ব্রাজিলিয়ান সমর্থক গ্রেপ্তার!!
এবার ,ট্রেনে হস্তমৈথুন করায় ব্রাজিল সমর্থক গ্রেপ্তার
কুমিল্লার রায়বাজারে ট্রেনে প্রকাশ্যে হস্তমৈথুন করায় এবার গ্রেপ্তার হলো এক ব্রাজিলিয়ান সমর্থক ! রোববার সকালে কুমিল্লার রায়বাজারে এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।
কুমিল্লার রায়বাজারে ট্রেনে প্রকাশ্যে হস্তমৈথুন করায় এবার গ্রেপ্তার হলো এক ব্রাজিলিয়ান সমর্থক ! রোববার সকালে কুমিল্লার রায়বাজারে এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা যায়, ট্রেনে উঠার পরপরই বুড়েল পান্ডা নামে ব্রাজিল জার্সি পরা ওই যুবকটি এক নারীর দিকে তাকিয়ে ভেংচি কাটেন। ওই নারীর কাছ থেকে আশানরুপ কোনো রেসপন্স না পেয়ে পরমুহূর্তেই তিনি হস্তমৈথুন করা শুরু করেন। একপর্যায়ে ট্রেনের ভিতর টিটী এসে তাকে এ কাজ করতে মানা করলে তিনি তাদের গায়ে বীর্য ছুঁড়ে মারার হুমকি দেন। পরবর্তীতে ট্রেন স্টেশনে পৌছালে যাত্রীরা তাকে রেল পুলিশের হাতে সোপর্দ করে দেয়।
বুড়েল পান্ডা নামে ওই লোকটি ব্রাজিলের সমর্থক বলে জানিয়েছেন তাকে গ্রেপ্তার করা পুুলিশের এক কর্মকর্তা। তিনি আরো জানান, বুড়েলের মত আরো বেশ কয়েকজন ব্রাজিল সমর্থক তাদের হেফাজতে রয়েছে।
কপাল পুড়ছে বুবলির, শাকিবের ওপর নজর পরলো পায়েলের


ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান গত এক যুগ ধরে ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রি শাসন করছেন। এই ইন্ডাস্ট্রির অনেক নায়িকার সঙ্গেই জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তিনি। তার সমসাময়িক সব নায়িকার সঙ্গেই কাজ করেছেন শাকিব।ইতোমধ্যে ঢালিউডের আরেক নায়িকা বুবলির সাথেও তাদের জুটির সফলতা পেয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে তিনি কলকাতার নায়িকাদের সঙ্গেও ছবি করছেন। এরই মধ্যে টালিউডের দুই শীর্ষ জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী ও শুভশ্রীর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন এবং সাফল্য পেয়েছেন।
এবার তার সঙ্গে জুটি বাঁধলেন সেখানকার আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল সরকার। ‘বোঝে না সে বোঝে না’ খ্যাত এই নায়িকা প্রথমবারের মতো কাজ করলেন ঢাকাই ছবির কিং খানের সঙ্গে। কলকাতার জয়দীপ মুখার্জির পরিচালনায় ছবির নাম ‘ভাইজান এলো রে’।
সম্প্রতি ছবির প্রথম গান ‘বেবি জান’ প্রকাশ হয়েছে। সেখানে শাকিবের সঙ্গে শ্রাবন্তী ও পায়েল দু’জনকেই অভিনয় করতে দেখা গেছে। প্রথমবার শাকিবের সঙ্গে কাজ করতে পেরে ভীষণ উচ্ছ্বসিত পায়েল। জানালেন তার অনুভূতি ও অভিজ্ঞতার কথা।
পায়েল বলেন, শাকিবের সঙ্গে এটা আমার প্রথম ছবি। আমার খুব ভালো লেগেছে শাকিবকে। সে ভীষণ প্রফেশনাল ও হেল্পফুল একজন সহ-অভিনেতা। যেহেতু অনেক দৃশ্য থাকে, সেহেতু একটা সহযোগিতাসুলভ সম্পর্ক থাকা খুব জরুরি। সেটা অবশ্যই হয়েছে। খুব ভালো অভিনেতা শাকিব।
অন্যদিকে শ্রাবন্তী বলেন, অনেক দিন পর আমার বেশ ভালো লাগছে যে, এরকম একটা গান করেছি। যেখানে আমি নিজেও আছি। আর সবাই খুব ভালো পারফর্ম করেছে। দু’টো শাকিবই খুব ভালো পারফর্ম করেছে।
‘ভাইজান এলো রে’ ছবি প্রযোজনা করেছে কলকাতার এসকে মুভিজ। এতে শাকিব, শ্রাবন্তী ও পায়েল ছাড়া আরো অভিনয় করেছেন রজতাভ দত্ত, দীপা খন্দকার, মুনিরা মিঠু প্রমুখ।
ফরিদপুরে মেয়েকে বিয়ের ৬ মাস পর শাশুড়িকেও বিয়ে, শাশুড়ি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা

মালদ্বীপ প্রবাসী শ্বশুরের পাঠানো অর্থ আত্মসাতের লোভে নূর ইসলাম নামে এক যুবক মেয়েকে বিয়ের ৬ মাস পর শাশুড়িকেও বিয়ে করেন।
ঘটনাটি ঘটেছে ফরিদপুর সদর উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের চণ্ডিপুর গ্রামে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় মেম্বারের কাছে তাদের বিচারের জন্য দেয়া হয়।
নূর ইসলাম (৩০) ওই এলাকার মোহাম্মদ দফাদারের ছেলে। তিনি একজন রাজমিস্ত্রি।
জানা গছে, গত সাড়ে তিন বছর আগে ওই এলাকার জলিল মোল্যা মালদ্বীপ যান। এর পর তিনি সব টাকা তার স্ত্রীকে পাঠাতেন।
স্থানীয়রা জানান, এক বছর আগে চণ্ডিপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন গ্রামের জলিল মোল্যার বাড়িতে নূর ইসলাম রাজমিস্ত্রির কাজ করতে যান। কাজের ফাঁকে ওই বাড়ির মেয়ে জেনির (১৫) সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন তিনি। পরে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের চার মাস পর শ্বশুরের পাঠানো টাকার লোভে শাশুড়ি ঝর্না বেগমকেও (২৯) আদালতের মাধ্যমে (কোর্ট ম্যারেজ) বিয়ে করেন তিনি।
ঘটনাটি জানাজানি হলে মা-মেয়ের সঙ্গে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। এর পর বৃহস্পতিবার রাতে নূর ইসলাম শাশুড়ি ঝর্না বেগমকে নিয়ে চণ্ডিপুর গ্রামে এলে এলাকার মানুষ বিষয়টি নিয়ে নানা কথাবার্তা শুরু করে। গ্রামবাসী তাদের আটক করে স্থানীয় মেম্বার মো. কাউসারের জিম্মায় দেন এর উপযুক্ত বিচারের জন্য।
শাশুড়ি ঝর্না বেগম বলেন, আমার মেয়ে জেনির সঙ্গে গত এক বছর আগে নূর ইসলামের কোর্ট ম্যারেজ হয়েছে। এর পর গত চার মাস আগে নূর ইসলাম আদালতে নিয়ে আমাকে বিয়ে করে। আমার মেয়ের কোনো সন্তানাদি নেই। বর্তমানে আমি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা
মাচ্চর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. কাউসার বলেন, রোজার প্রথম তারাবিহ নামাজের কারণে আমি চৌকিদার মক্কাছের জিম্মায় ওদের রেখে এসেছি। কিন্তু পরে জানতে পারলাম সেখান থেকে ওরা উভয়েই পালিয়েছে
যে কারণে জাইঙ্গা পরা অত্যাবশ্যক !

আপনি হয়ত জাইঙ্গা পরেন না। জাইঙ্গা আপনার কাছে দেড়শ টাকার একটা কাপড় মাত্র। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন কেনো পৃথিবীর দেড়শ কোটি মানুষ প্রতিনিয়ত জাইঙ্গা পরে ঘুরছে? কি আছে এর ভেতর? কেনোই বা এর এত কদর?
চলুন জেনে নেয়া যাক জাইঙ্গা পরিধানের উপকারিতা ও প্রয়োজনীয়তাগুলো…
- জাইঙ্গা পরলে বিচি ঝুলে যায় না
- দুষ্টমি করে কেউ পকেটে হাত দিলেও আপনার পোনা মাছে হাত লেগে যাবার সম্ভাবনা থাকেনা
- স্বপ্নদোষে প্যান্ট ভিজে যাওয়া থেকে জাইঙ্গা আপনারে প্রটেক্ট করে
- রাস্তাঘাটে প্যান্টের তলা ফেটে গেলেও বিচি বের হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকেনা
- বন্ধুবান্ধবরা লুঙ্গি খুলে নিয়ে গেলেও ইজ্জত নষ্ট হবেনা
জাইঙ্গার বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। একটি পুরনো পরিত্যক্ত জাইঙ্গা কেটে আপনি রুমাল বানাতে পারেন। অথবা জাইঙ্গার একটি অংশ কেটে প্রিয়জনকে চশমা মুছার কাপড় হিসেবেও উপহার দিতে পারেন। ঘাম মুছে দিতে পারেন চলন্ত বাসে আপনার পাশে বসা মেয়েটির…
আসুন নিয়মিত জাইঙ্গা পরি। জাইঙ্গা ব্যবহারে সচেষ্ট হই..।
আমি নগ্ন ছবি করিনি : নায়ক মেহেদি

“রোমান্টিক দৃশ্যে কাটপিস জুড়ে দেওয়া হত। কাকরাইলে প্রকাশ্যে ১০ হাজার টাকা করে কাটপিস বিক্রি করা হত। আমি কোনো নগ্ন ছবি করিনি। এসবের দায় আমার ঘাড়ে চলে এসেছে” – এভাবেই নিজের দুঃখের কথা জানিয়েছিলেন নায়ক মেহেদি।
মেহেদির প্রকৃত নাম নাজমুল হক শামীম। ১৯৯৩ সালে মাস্টার শামীম নামে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার আমজাদ হোসেনের ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’ ছবিতে কাজ করেন। এটাই মেহেদির বড় পর্দায় অভিষেক। কিন্তু নায়ক হিসেবে অভিষিক্ত হন তোজাম্মেল হক বকুলের ‘পাগল মন’ ছবির মাধ্যমে।
মেহেদীর বর্তমান বয়স ৫৩। একটা সময় দুর্দান্ত প্রতাপে বাংলা চলচ্চিত্রের পর্দা কাঁপিয়েছেন এই অভিনেতা। প্রথম ছবির নায়িকা ছিল অন্তরা। অন্তরা আর মেহেদি একটি জুটি হয়ে গেল। কিন্তু সেই জুটির নামটা ধীরে ধীরে ম্রিয়মাণ হয়ে গেল। বাংলা চলচ্চিত্রের কালো একটা সময় নেমে এলো। আর সময়টা বাংলা চলচ্চিত্রের অশ্লীল যুগ হিসেবেই চলচ্চিত্রে ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়। মেহেদির সাথে জুটি তখন মুনমুনের, ময়ুরীর, ঝুমকার। তবে মেহেদি-ঝুমকা জুটি বেশ পরিচিতি পায়।
আলোচিত-সমালোচিত চিত্রনায়ক মেহেদি। ‘পাগল মন’ ছবির মাধ্যমে অভিষেক হয় ঢাকাই চলচ্চিত্রে। ছবিটিও দেশের সফল চলচ্চিত্রের তালিকায় ঠাঁই করে নেয়। স্বর্ণময় অভিষিক্ত সেই ছেলেটি একসময় অশ্লীল চলচ্চিত্রের বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। বাংলা চলচ্চিত্রের সেই সময় সময়কে অন্ধকার যুগ বলা হয়। আর ‘অন্ধকার যুগ শেষ হবার সাথে সাথে ময়ূরী, মুনমুন, ঝুমকা, আলেকজান্ডার বো’র মতো হারিয়ে যান মেহেদি। আসলেই কী হারিয়ে গেছেন মেহেদি? মেহেদি নিজেই জানালেন বিস্তারিত।
কিভাবে নাজমুল হক শামীম থেকে মেহেদী হয়ে গেলেন? মেহেদি চ্যানেল ঢাকা কে বলেন, ‘তোজাম্মেল হক বকুল ভাই আমার লুক পছন্দ করেছেন কিন্তু নামটা নিয়ে তার আপত্তি ছিল। তিনি বললেন আসলে শামীম নামটা তোমার সাথে যাচ্ছে না, তারপর আমার নাম দিয়ে দিলেন ‘মেহেদী। ‘ বললেন মেহেদি হলো একটা নায়কোচিত নাম। এরপর থেকে হয়ে গেলাম মেহেদী। ‘
বাংলা চলচ্চিত্রের ‘অন্ধকার সময়’-এর অভিযুক্তদের মধ্যে মেহেদি একজন। অন্তত ইন্ডাস্ট্রিতে এমনটাই উচ্চারণ হয়, এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী? নায়ক মেহেদি চ্যানেল ঢাকা কে বলেন, ‘আমার নাম উচ্চারিত হয়, এটা আমি জানি। আমি আলোচনায় নেই বলে শুধু আমাকেই দায়ী করবেন আপনারা? আচ্ছা বলুন আমাদের দ্বারা এসব করিয়েছে কে? তারা আজ কোথায়? তারা তো বহাল তবিয়তে আছে। আমরা কি নিজেদের ইচ্ছেতে অভিনয় করি? আমরা নিজেদের ইচ্ছাতে অভিনয় করিনি। আমাদের পরিচালক ছিলেন, তাদের নির্দেশনায় আমরা শুট করেছি। ‘
মেহেদি সেই সময়ের অভিনীত ছবিগুলোকে ‘কমার্শিয়াল’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘আমরা কমার্শিয়াল ছবিগুলোতে অভিনয় করতাম। হ্যাঁ আমরা কিছুটা উত্তেজক দৃশ্যতে অভিনয় করেছি কিন্তু ব্যাপকভাবে ‘কাটপিস’ যুক্ত করে সেই সময়টাকে অশ্লীল যুগ বানানো হয়েছে। যারা এসব করতো তাদেরকে তো কেউ অভিযুক্ত করে না। আমরা অভিনয় করে চলে আসতাম, এরপর একটা গানের দৃশ্যে কিংবা কোনো রোমান্টিক দৃশ্যে সমন্বয় রেখে ‘কাটপিস’ জুড়ে দেওয়া হতো। আর এসবের দায়ও আমাদের ঘাড়ে চলে এসেছে। ‘
কাটপিসের কুশীলব কারা? মেহেদি বলেন, ‘এটা আমাদের জানার কথা। তবে এটা জানি কাকরাইলে প্রকাশ্যে ১০ হাজার টাকা করে কাটপিস বিক্রি করা হতো। ছবির নির্মাতা, প্রযোজকেরা সেসব কিনে স্কেচ টেপ দিয়ে সেলুলয়েডে যুক্ত করতেন। কাকরাইলে এই ঘটনা তো ওপেন সিক্রেট বিষয় ছিল। তবে আমি যখন বাংলা ফিল্মে একদম এসব ঢুকে পড়ছে,। অনেক অভিনেতা ক্যামেরার সামনে সব করছে তখন আমি ফিল্ম ছেড়ে দেই। আমি ফিল্ম ছেড়ে দেওয়ার পর অনেক নামের নায়ক-নায়িকা এসেছেন যারা কাপড়ের ধার ধারতেন না।’
মেহেদি জানান তিনি ইচ্ছে করেই আলোচনায় আসেন না। অভিনয় থেকে দূরে নেই। কিছুদিন আগেই তার অভিনীত ‘বুলেট বাবু’ ছবিটি মুক্তি পেয়েছে। রংবাজ ছবির পরিচালক মান্নান গাজীর ‘প্রেমে অনেক জ্বালা’ নামের একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন। যার অর্ধেক কাজ সমাপ্ত। এছাড়াও ‘বস্তির সম্রাট’ নামের একটি ছবিতে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সার্কাসেও কাজ করেন তিনি। তবে এসবকে পাশ কাটিয়ে শিগগির পরিচালক হয়ে মেহেদি ঢাকাই চলচ্চিত্রে ফিরতে চান। এমনটাই চ্যানেল ঢাকা কে জানালেন এই অভিনেতা।
‘বালিকা হলো বঁধূ’, ‘শুধু তোমারই’, ‘শত জনমের প্রেম’, ‘পরাণ কোকিলা’, ‘গরিবের অহংকার’, ‘মর্যাদার লড়াই’, ‘নষ্ট ছাত্র’, ‘গরিবের বিচার নাই’ এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন মেহেদি। নায়ক হিসেবে ৪৫০ টি ছবি করা এই অভিনেতা বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন। মেহেদি বলেন, ‘এখন অনেক সম্ভাবনাময় অভিনেতা অভিনেত্রী আসছেন। নতুনদের মধ্যে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো চলচ্চিত্র এখন হচ্ছে। চাইলে আরো ভালো চলচ্চিত্র করা সম্ভব। আগে যেমন রাজ্জাক-কবরি, ফারুক-ববিতা, শাবানা-আলমগীর জুটির হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ছবি নির্মাণ করা হতো এখনো সে ধরনের ছবি নির্মাণ করা প্রয়োজন। এখন সিনেমা হলে মেয়ে দর্শক নেই। নারীদের হলে ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন। এখন আমরা স্বপ্ন দেখতে পারি নতুনভাবে। ‘
মেহেদি বিএ পাস করেন ঢাকার হাবিবুল্লাহ বাহার বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে। বনেদি পরিবারের ছেলে মেহেদিদের পুরান ঢাকায় ব্যবসা রয়েছে। রয়েছে মতিঝিলে পেট্রোল পাম্প। এসবের বাইরেও এই অভিনয় নিয়েই আগ্রহ তাঁর। বিয়ে করেছেন পুরান ঢাকার মেয়ে ফারজানাকে। স্ত্রী হাউজওয়াইফ। মেহেদি-ফারজানার ঘরে রয়েছে দুই সন্তান। ছেলে মাজহারুল হক মাহির বয়স ৮, মেয়ে মেহজাবিন হক ইশরাতের বয়স ৬। সংসার জীবনে মেহেদি সুখি বলেই জানালেন। চাইলেন সবার নিকট শুভ কামনা।
অপু বিশ্বাস আমার গার্লফ্রেন্ড : বাপ্পি চৌধুরী


হালের জনপ্রিয় হার্টথ্রব রোমান্টিক অভিনেতা বাপ্পি চৌধুরী । সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’। এই সিনেমা ও নতুন কাজগুলো সহ আরো নানা বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছেন চ্যানেল ঢাকা নিউজের সঙ্গে।
তৃতীয় সপ্তাহে এসেও আপনার অভিনীত চলচ্চিত্র ‘পলকে পলকে তোমাকে চাই’ চলছে। কেমন লাগছে?
এখনও ২০টা সিনেমা হলে চলছে ছবিটি। খুবই ভালো লাগছে। যতগুলো ছবি মুক্তি পেয়েছে এরমধ্যে পলকে পলকে তোমাকে চাই আলোচনায় ছিল। টেবিল কালেকশনও ভালো হয়েছে। ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা এখন পর্যন্ত ছবিটি ব্যবসা করেছে। সারা ব্ছর তো পরেই আছে। যদি পাইরেসি না হয় তবে আরও অনেক টাকা প্রযোজক ছবিটি থেকে আয় করতে পারবে। ব্যবসায়িকভাবে ছবিটি সফল হয়েছে। এ জন্য এর অভিনেতা হিসেবে আমি খুবই আনন্দিত।আর সবচেয়ে বড় পাওয়া হচ্ছে অনেক দিন পর আমার সলো কাস্টিংয়ের সিনেমা মুক্তি পেলো। সেই ক্ষেত্রে আমার ছবিটা এত ভালো গেছে,এটা আমার কাছে ‘মিরাকল’ মনে হয়েছে। কারণ এই ছবিতে আশার চেয়েও পাওয়া বেশি হয়েছে।
সেন্সরের একদিন পরই ছবিটি মুক্তি পায়। তাই প্রযোজকের সাথে আমার কিছুটা মনোমালিন্য হয়। কিন্তু আল্টিমেটলি বাচ্চাটা আমার। আমি তো আমার বাচ্চাকে ছাড়তে পারবো না। তাই নিজেই নেমে যাই প্রমোশনে। আমার ছবির সাথে ছিল গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘স্বপ্নজাল’। অনেক ভালো একটি সিনেমা। আর সেটার প্রচারও ভালো ছিল। তার সাথে আমার ছবিটি একদিনে ৮০টা হল বুকিং হয়। এটা আমার কাছে অনেক বড় পাওয়া।
সম্প্রতি একটি টেলিভিশন শো’তে আপনি নিজেকে ‘অলরাউন্ডার’ দাবি করেছেন-
আমি অলরাউন্ডার যদি না হতাম তাহলে একদিনে আমার ছবি এতগুলো হল পেতো না। তৃতীয় সপ্তাহে এসেও ছবিটি চলতো না। এর ফিডব্যাক অনেক ভালো। এখনও টিভিরাইট কোথাও বিক্রি হয়নি। টিভিরাইট বিক্রি হলে আরও বেশি টাকা প্রযোজকের ঘরে যাবে। এ জন্য আমি আমার দর্শকদের কাছে কৃতজ্ঞ। যে ছবিটি প্রচারণা ছাড়াই মুক্তি পেয়েছে, দর্শক জানে না,অথচ তারা কিন্তু ঠিকই দেখেছে। দর্শকদের এমন ভালোবাসা পেয়ে আমি মুগ্ধ।
মাহি ‘অলরাউন্ডার’, মানে আপনার সাথে কাজ করবেন না বলেছেন সম্প্রতি। আপনার মন্তব্য কী?
মাহি বলেছে,কমতি রেখে অলরাউন্ডারের সাথে কাজ করবো না।আমি অনেকগুলো ছবিতে কাজ করেছি। মাহির চেয়েও বেশি। কাজের ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা বেশি। ও যেহেতু কমতি রেখে আমার সাথে কাজ করবে না,সেহেতু ‘ও’ আরও একটু শিখে কাজ করতে আসুক আমার সাথে। কিন্তু মাহির সাথে কাজ করতে আমার কোনো সমস্যা নাই। দর্শক যদি বাপ্পি-মাহিকে চায়,আমি সব সময় কাজ করতে প্রস্তুত। ও যদি আরও শিখে এসে আমার সাথে কাজ করতে চায়, এটা একান্তই ওর ব্যাপার। মাহির সাথে আমার ব্যক্তিগত কোনো ঝামেলা নাই।
এই ছবিতে আপনার বিপরীতে অভিনয় করেছেন মাহি। তিনি কিন্তু ছবিটি সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন-
প্রথমত কালার গ্রেডিং নিয়ে মাহি যা বলেছে,এটা নিয়ে আমি কিছু না বলি। এটা ডিরেক্টরই ভালো বলতে পারবেন। একটা কথা বলবো,কোনো ছবি কিন্তু কালার গ্রেডিং ছাড়া মুক্তি পায় না।
বর্তমান ব্যস্ততা কি নিয়ে?
নায়ক, ডেঞ্জার জোন,প্রেমের বাঁধন চলচ্চিত্রগুলোর কাজ চলছে। দাগ, আসমানী ছবি দুটি মুক্তির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া সামনে শুরু হবে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ-টু’র কাজ।
অপু বিশ্বাসের সাথে আপনি প্রেম করেছেন-এমন গুঞ্জন মিডিয়াতে ‘ওপেন সিক্রেট’। এ ছাড়া জুটি বেঁধেও অপু বিশ্বাসের সাথে কাজ করতে যাচ্ছেন আপনি-
অপু বিশ্বাস আমার গার্লফ্রেন্ড। তবে বাস্তবে নয়। শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ টু ছবিতে সে আমার গার্লফ্রেন্ড থাকবে। বাস্তবে সে আমার ভাবী। আমি তাকে এখনও ভাবী হিসেবেই সম্মান করি। আর সহকর্মী হিসেবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে। এর চেয়ে বেশি কিছু নয়।
জাজের ছবি দিয়ে আপনার ক্যারিয়ার শুরু। এখন আর জাজের কোনো ছবিতে আপনাকে দেখা যাচ্ছে না। শোনা যাচ্ছে,বিশেষ কোনো কোন্দল আছে-
এটা হলো অভিমান। আমার সাথে জাজের কোনো কোন্দল নেই। ২০১৪ সালে আমি জাজ থেকে বের হয়েছি। আজিজ ভাই ও আমার মাঝে অভিমান তৈরি হয়। এরপর জাজের আর কোনো ছবিতে কাজ করা হয়নি। আমিও কখনো জাজে যাইনি, আর আজিজ ভাইও আমাকে ডাকেনি। সব মিলিয়ে আর কাজ করা হয়নি।
অভিমানের বরফ কি গলবে?
বরফ কেন গলবে না। জাজের ঘরটা এখনো আমার নিজের ঘর বলেই মনে করি। যদি কখনো আমাকে ডাকা হয়, আমি অবশ্যই যাব।
বড় পর্দায় আসছেন গোলাম সারোয়ার


বড় পর্দায় আসছেন গোলাম সারোয়ার সম্প্রতি এন্ড্রু কিশোরের একটি গানে ঠোঁট মিলিয়ে এবং নেচে গেয়ে মডেলিং করে বেশ আলোচিত হয়েছেন ছোটপর্দার অভিনেতা মডেল গোলাম সারোয়ার। অবশেষে এবার তাকে বড় পর্দায় দেখা যাবে। হ্যাঁ ঠিকই শুনছেন। হালের এই ক্রেজ গোলাম সারোয়ার বড় পর্দায় আসছেন পোড়ামন ২ চলচ্চিত্রে ! সিনেমার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ জুড়ে তাকে প্রায় আধামিনিটের মত দেখা যাবে বলে জানিয়েছেন এ অভিনেতা। সারোয়ারের সাথে কথা বলে জানা যায়, অভিনয় মিশে আছে তার রক্তে। অভিনয় মিশে আছে তার ধমণীতে। তার আদর্শ চিত্রনায়ক সিয়াম। সিয়ামের মত করেই তিনি মিডিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হতে চান। তবে বড় হয়ে রাজ্জাক হবার স্বপ্ন দেখেন গোলাম সারোয়ার নামে হালের দর্শকপ্রিয়তা পাওয়া এ অভিনেতা
আপনাকে আবারও স্যালুট।


কয়েক বছর আগে বাংলাদেশের সিনেমায় এক নায়কের আবির্ভাব ঘটল। নিজের টাকা দিয়ে বানিয়ে নিজের সিনেমায় নিজেই অভিনয় করেন। বেশ হাসাহাসি, কৌতুক চলল তার সিনেমা জুড়ে। কারণ, তিনি মোটেই ভাল অভিনয় করেন না। তবে বাংলাদেশের সিনেমায় গ্রাফিক্স ভিডিও ক্যামেরাতে অনেক বেশি আধুনিকতা নিয়ে আসেন তিনিই প্রথম। কয়েকটা সিনেমা করে শেষে বাদ দিলেন। সবাই হাসাহাসি আরও বেশি করে করল। বলল, টাইমলাইনে আসার জন্য শুধুশুধু এত টাকা খরচ করল। তারপর একদিন হঠাৎ করে সিনেমা করা লোকটাই লম্বা পাঞ্জাবি টুপিতে পাক্কা হুজুর বেশ ধারণ করে আবার আলোচনায় আসলেন। সিনেমা থেকে সরাসরি ধর্মকর্মতে! নাহ! ব্যাটা আবার টাইমলাইনে আসার নতুন ধান্ধা শুরু করছে। ট্রল হলো- তার নায়ক বডিতে টাইট ফিট পাঞ্জাবি নিয়ে; তার মাথার পাগড়ি নিয়ে; তার নতুন জীবনের কথোপকথন নিয়ে। গত বর্ষায় উত্তরবঙ্গে বন্যায় ভয়াবহ পরিস্থিতি হলো। তিনি সবাইকে বন্যাবন্দি মানুষদেরকে সাহায্য করার জন্য বিনীত আবেদন জানালেন। এরপর তিনি নিজেই টাইট পাঞ্জাবি পরে একটা হেলিকপ্টার উড়িয়ে চলে গেলেন উত্তরবঙ্গে। একটা বড় সংখ্যক দুর্যোগ পীড়িত মানুষকে সাহায্য করলেন। তখনও আবার বলা হলো, তিনি টাইমলাইনে আসার জন্যই এই কর্ম করেছেন। কয়েকদিন আগে রাজধানীতে দুই বাসের চাপে রাজীব নামের এক ছেলের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল শরীর থেকে। ছেলেটি এতিম, বাবা-মা কেউ নেই। শুধু দুইটা ছোটভাই আছে। সে কাজ করে নিজের লেখাপড়ার খরচ যুগিয়ে ছোট দুই ভাইয়ের খরচও চালাত। হাত ছাড়াও তার আরও ইনজুরি ছিল। হাসপাতালে যুদ্ধ করে গতকাল রাজীব মরেই গেল। দুই এতিম ছোট ভাইকে রেখে চলেই গেল রাজিব। বেপরোয়া গাড়ির প্রতিযোগিতার বলি হয়ে নিঃশেষ হয়েই গেল সংগ্রামী জীবন নিয়ে স্বপ্ন দেখা এতিম যুবক রাজীব। সে যখন মারা গেল, টাইমলাইনে আসতে চাওয়া সেই নায়ক তখন মক্কায় ছিলেন নিজের পরিবার নিয়ে। তিনি সেখানে বসেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলেন, রাজীবের দুই ভাইর সম্পূর্ণ দায়িত্ব তিনি নিতে চান। সংবাদপত্র কর্তৃপক্ষকে এ ব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়। নিশ্চয়ই এই নায়ক ব্যাটা আবারও টাইমলাইনে আসার জন্য একটা ছুতা খুঁজে পেয়েছেন! তবে তাই যদি হয়, বাংলাদেশে তার মতো যত CIP(Commercially Important Person) আছে, তারা যদি সবাই এরকম করে একটু টাইমলাইনে আসার চেষ্টা করত, তবে বিশ্বাস করুন, পুরো বাংলাদেশটাই টাইমলাইনে চলে আসত। ইউ ডিজার্ব এ স্যালুট, অনন্ত জলিল। আর হ্যাঁ, তিনি টাইমলাইনে না আসার জন্য যা করেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো, তার গার্মেন্টস এর সকল নারী কর্মীরা গর্ভকালীন ছুটি পায়। যেখানে অন্য গার্মেন্টস এ মেয়েরা প্রেগন্যান্ট হলে চাকরি ছেড়ে দিতে হয়। আপনি টাইমলাইনে আসার সংজ্ঞাটাই চেঞ্জ করে দিচ্ছেন অনন্ত জলিল। আপনাকে আবারও স্যালুট।
প্যান্টের ভেতর সোনা সহ একজন আটক

এবার প্যান্টের ভেতর সাতটি সোনা সহ এক যাত্রীকে আটক করেছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এর কাস্টমস কর্মকর্তারা। ৪০ লাখ টাকা মূল্যের এই সোনার বারগুলো ওই যাত্রীর প্যান্ট ও জুতার ভেতর লুকানো ছিলো। সোমবার রাতে এই লম্বা সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়।
কাস্টমস হাউজ টিম জানায়, গত সোমবার রাতে সিঙ্গাপুর থেকে আসা রিজেন্ট এয়ারওয়েজের আরএক্স-৭৮৫ (RX-785) ফ্লাইটে ওই যাত্রী ঢাকায় আসেন। পরে তার প্যান্ট ও জুতার ভেতর তল্লাশি চালিয়ে ১০০ গ্রাম ওজনের সাতটি স্বর্ণের বার সহ ১০০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানী অনুমতি ছাড়া এতগুলো বার আনায় এগুলো একেবারে জব্দ করা হয়। আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানায় শাহজালাল বিমানবন্দর কাস্টমস
পর্নোসাইট বন্ধের ঘোষণা | বিলুপ্তির পথে কুটির শিল্প

এসপ্তাহের মধ্যেই বন্ধ হতে যাচ্ছে ব্রাজার্স থেকে শুরু করে এক্সহ্যামস্টার, এক্সভিডিওস, টুশি ডটকম সহ ঐতিহাসিক সব পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইট। বাংলাদেশ থেকে এসব পঁচা সাইটে এখন থেকে আর কেউই ভিজিট করতে পারবেনা। সম্প্রতি ফেসবুকে এমনটাই ঘোষণা দিয়েছেন মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম।
পর্নোগ্রাফি আইন এর ধারা বজায় রাখতে বাংলাদেশের ওয়েব থেকে এসব দুষ্ট দুষ্ট সাইটগুলো বন্ধ করা জরুরী বলে এক ব্যক্তি তাঁর (তারানা হালিম) ফেসবুক পেজে কমেন্ট করলে প্রত্যুত্তরে তিনি বলেন, 'এই সপ্তাহের মধ্যেই সকল পর্নোগ্রাফিক সাইট বন্ধ করে দেয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে।'
পর্নোসাইট বন্ধ করার বিষয়টি দেশের সমাজ ও তরুণদের সামাজিক অবক্ষয় রোধে ভুমিকা রাখবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে ফেসবুকে এ নিয়ে সংখ্যালঘূ কিছু খারাপ ছেলেদের বিক্ষুদ্ধ হয়ে পোস্ট দিতে দেখা গেছে। মোকাদ্দেস নামে এরকমই একজন তরুণ সোমবার রাতে তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখে, 'পর্নোসাইট বন্ধ করার মাধ্যমে আমাদের জৈবিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে।'
এদিকে পর্নোসাইট বন্ধ করলে দেশের সম্ভাবনাহীন কুটির শিল্পও বিলুপ্তির দারপ্রান্তে গিয়ে পৌঁছাবে বলে মনে করছেন আরেক জনপ্রিয় ফেসবুকার মোতাহার মিথুন।
ফাঁসির মঞ্চে উঠে ধস্তাধস্তি করেছেন নিজামী

ফাঁসির মঞ্চে উঠতে চাননি জামায়াতে ইসলামের নেতা মতিউর রহমান নিজামী। তাকে জোর করে ফাঁসির মঞ্চে তুলতে হয়েছে।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি সূত্র বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সংবাদকর্মীদের নিকট এ খবরটি নিশ্চিত করেছে।
কারা সুত্র জানায়, রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে নিজামীকে কনডেম সেল থেকে বের করে ফাঁসির মঞ্চে নেয়ার পথে তিনি ব্যাপক অনীহা প্রকাশ করেন। কনডেম সেল থেকে বের করার জন্য নিজামীকে তিন জল্লাদ মিলে টানাটানি করলে তিনি সেলের দরজার হাতলটি শক্ত করে ধরে রাখেন। টানাহ্যাঁচড়ার একপর্যায়ে তাকে কনডেম সেল থেকে বের করা সম্ভব হয়।
সূত্রটি আরও জানায়, নিজামী ফাঁসির মঞ্চে যেতে অসম্মতি জানালে জল্লাদরা বাধ্য হয়ে জোরপূর্বক তাকে কাঁধে উঠিয়ে মঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যায়। এবং মাথায় জমটুপি পরিয়ে দেয়। এরপর নিজামীকে যখন ফাঁসির মঞ্চে তোলা হচ্ছিলো, তখন তিনি বেশ কয়েকবার বসে পরেন। এবং মঞ্চে উঠতে অস্বীকার করেন। অতঃপর সাতজন কারারক্ষীর সহায়তায় জল্লাদরা শেষবারের মত নিজামীতে জোরজবস্তি করে ফাঁসির মঞ্চে তুলতে সক্ষম হয়। এসময় তিনি হাত পা ছুড়াছুড়ি করে বাঁচার চেষ্টা চালিয়ে যান। এবং একপর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দেন। সেই সুযোগেই ঝুলিয়ে দেয়া হয় কুখ্যাত এই যুদ্ধাপরাধীকে।
তবে সেখানেও বেশ বেগ পেতে হয় জল্লাদদের। ফাঁসির মঞ্চের মাঝখানে গোলাকারর ১২ ফুট গভীর গর্ত। আর উপরে খোলা ৮ ফুট। গর্তটি ঢাকা থাকে কাঠ দিয়ে। আর সেই কাঠের মাঝখানে দণ্ডিতকে দাঁড় করানো হয়। ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করার সময় রোলার টেনে কাঠ সরিয়ে নেয়া হয়। কিন্তু নিজামী সেসময় এমনভাবে দাঁড়ান যে, তার দুই পা গর্তের বাইরে থাকে। বারবার বলার পরও তিনি দুই পা এক করছিলেন না। বরং তিনি গর্তের দুইদিকে দুই পা বিরাট ফাঁক করে দিয়ে রেখে গর্তে পড়া থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন। জল্লাদ রাজু তখন নিজামীর দুই পা টেনে এক করে একটি দড়ি দিয়ে বেঁধে দেন। এরপর সফলভাবে ফাঁসি কার্যকর করা সম্ভব হয়।
এভাবেই বহু ঝামেলার মধ্য দিয়ে কার্যকর করা হয় নিজামীর মৃত্যুদণ্ড।
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের একটি সূত্র বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে সংবাদকর্মীদের নিকট এ খবরটি নিশ্চিত করেছে।
কারা সুত্র জানায়, রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে নিজামীকে কনডেম সেল থেকে বের করে ফাঁসির মঞ্চে নেয়ার পথে তিনি ব্যাপক অনীহা প্রকাশ করেন। কনডেম সেল থেকে বের করার জন্য নিজামীকে তিন জল্লাদ মিলে টানাটানি করলে তিনি সেলের দরজার হাতলটি শক্ত করে ধরে রাখেন। টানাহ্যাঁচড়ার একপর্যায়ে তাকে কনডেম সেল থেকে বের করা সম্ভব হয়।
সূত্রটি আরও জানায়, নিজামী ফাঁসির মঞ্চে যেতে অসম্মতি জানালে জল্লাদরা বাধ্য হয়ে জোরপূর্বক তাকে কাঁধে উঠিয়ে মঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যায়। এবং মাথায় জমটুপি পরিয়ে দেয়। এরপর নিজামীকে যখন ফাঁসির মঞ্চে তোলা হচ্ছিলো, তখন তিনি বেশ কয়েকবার বসে পরেন। এবং মঞ্চে উঠতে অস্বীকার করেন। অতঃপর সাতজন কারারক্ষীর সহায়তায় জল্লাদরা শেষবারের মত নিজামীতে জোরজবস্তি করে ফাঁসির মঞ্চে তুলতে সক্ষম হয়। এসময় তিনি হাত পা ছুড়াছুড়ি করে বাঁচার চেষ্টা চালিয়ে যান। এবং একপর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে হাল ছেড়ে দেন। সেই সুযোগেই ঝুলিয়ে দেয়া হয় কুখ্যাত এই যুদ্ধাপরাধীকে।
তবে সেখানেও বেশ বেগ পেতে হয় জল্লাদদের। ফাঁসির মঞ্চের মাঝখানে গোলাকারর ১২ ফুট গভীর গর্ত। আর উপরে খোলা ৮ ফুট। গর্তটি ঢাকা থাকে কাঠ দিয়ে। আর সেই কাঠের মাঝখানে দণ্ডিতকে দাঁড় করানো হয়। ফাঁসির দণ্ড কার্যকর করার সময় রোলার টেনে কাঠ সরিয়ে নেয়া হয়। কিন্তু নিজামী সেসময় এমনভাবে দাঁড়ান যে, তার দুই পা গর্তের বাইরে থাকে। বারবার বলার পরও তিনি দুই পা এক করছিলেন না। বরং তিনি গর্তের দুইদিকে দুই পা বিরাট ফাঁক করে দিয়ে রেখে গর্তে পড়া থেকে বাঁচার চেষ্টা করছিলেন। জল্লাদ রাজু তখন নিজামীর দুই পা টেনে এক করে একটি দড়ি দিয়ে বেঁধে দেন। এরপর সফলভাবে ফাঁসি কার্যকর করা সম্ভব হয়।
এভাবেই বহু ঝামেলার মধ্য দিয়ে কার্যকর করা হয় নিজামীর মৃত্যুদণ্ড।
মিথিলার দায়িত্ব নিতে চান আবুল হায়াত
“তাহসান এইটা কোনো কাজ করলো। ও তো একটা জানোয়ার। কিভাবে পারলো সে? ওর মধ্যে কি বিবেক নেই? আমি মিথিলাকে বলবো, বন্ধু তুমি ভেবো না। শান্ত হও। তোমার ব্যাপারটা আমি দেখবো” – এভাবেই প্রাথমিক পর্যায়ে মিথিলাকে সান্তনা দেয়ার চেষ্টা চালান ভিনটেজ অভিনেতা আবুল হায়াত।
তাহসান মিথিলার ডিভোর্সের পর এই প্রথম দেশের বরেণ্য কোনো অভিনেতা এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে মাথা থেকে মুখ খুললেন। একই সাথে জানা গেলো মিথিলার দায়িত্ব নিতে চান আবুল হায়াত !
প্রথম আলু পত্রিকা অফিসে ফোন দিয়েও বেশ গরম খেয়েছেন আবুল হায়াত। তিনি বলেন, “দেশের এহেন অবস্থায় তোমরা কোথায়? কোন বালটা ফালাচ্ছো তোমরা? সবখানে সবার আগে আমাকেই যেতে হয়। আলমগীর কোথায়? রাজ্জাক কোথায়? কোথায় তোমাদের মিশা সওদাগর”?
এসময় কিংবদন্তী এ অভিনেতার সোদনে অফিস থেকে বের হয়ে যায় খস্তগীর লোকমান ও জয়নাল সহ অন্য সব সাংবাদিকরা
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আনোয়ার | উপকূলে ৭ নং বিপদ সংকেত
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় আনোয়ার | উপকূলে ৭ নং বিপদ সংকেত
ভারতীয় উপমহাসাগরে সৃষ্ট নিম্মচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রুপ নিয়ে ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে। এর প্রেক্ষিতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে গুলশান বনানী সহ সারাদেশে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত জানানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করা হয়েছে আনোয়ার। ঘূর্ণিঝড় আনোয়ারে ক্ষয়ক্ষতি সামলাতে পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাতের মধ্যেই উপকূলীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আনার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এব্যাপারে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও আবহাওয়াবিদ এরশাদ আলম বলেন, ‘টেনশনের কিছু নেই। আমরা চাপ সামলে নিবো। পাবলিক বাঁচাতে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ত্রাণের জন্য ইউরুপ আম্রিকায় খবর পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। মালপত্র আগামীকালের মধ্যেই এসে যাবে এনশাল্লাহ।’ এদিকে সন্ধ্যা ৭টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৩৯৬ কিলোমিটার বেগে ঘূর্ণিঝড় আনোয়ার সোজা বাংলাদেশের দিকে আসছে। আজ রাতের জন্য গুলশান বনানী ও ধানমন্ডি সহ সারাদেশে ৭ নং সতর্কতা সংকেতের আওতায় সবাইকে নিরাপদ অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রভার বাসা থেকে সবজি উদ্ধার
আবারো প্রভা ট্রাজেডি। ব্যাপক আলোচিত সমালোচিত মডেল ও অভিনেত্রী প্রভার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে এবার উদ্ধার করা হলো এক ব্যাগ সবজি। এ নিয়ে অনেক জল্পনা কল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযানে অংশ নেয়া পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, আমরা রেইড দিয়ে তার বাসা থেকে একব্যাগ সবজি পেয়েছি। সবজি থাকবে ফ্রিজে। সবজি তার রুমে কি করে? হয় সে এসবের চোরাচালান ব্যবসা করে, নাহয় সে এই সবজি দিয়ে নেশা করে। প্রত্যুত্তরে প্রভা জানান, আমাকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করা হচ্ছে। আমার বিছানায় সবজি থাকুক আর ফুলদানি থাকুক। তাতে কার বাপের কি। নিজের টাকায় কিনছি। চুরি করে তো আনি নাই।
Subscribe to:
Posts (Atom)
